আসলাম আলম, নিজস্ব প্রতিনিধি: ঈদের আগে মাংসের চাহিদা বৃদ্ধির কারণে দামও বেড়েছিল। তবে ঈদ শেষে পূর্বের দামে ফিরে এসেছে মাংস।
এতে ক্রেতাদের মধ্যে সন্তুষ্টি দেখা দিয়েছে।
আজ শুক্রবার (৪ এপ্রিল) রাজধানীর কারওয়ান বাজার, শ্যামপুর, মিরপুর, যাত্রাবাড়ীসহ বিভিন্ন এলাকার বাজারে গিয়ে এ চিত্র দেখা গেছে।
কারওয়ান বাজারে সরেজমিনে দেখা গেছে, প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি ২০০ থেকে ২১০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ঈদের আগেও ব্রয়লার মুরগি ২৪০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। এ ছাড়া সোনালি মুরগির দামও কমেছে। এক কেজি সোনালি মুরগি বিক্রি হচ্ছে ২৮০ থেকে ৩১০ টাকায়। ঈদের আগে দাম ছিল ৩২০-৩৩০ টাকা কেজি।
গরুর মাংসের বাজারে দিয়ে দেখা যায়, ঈদের আগে কেজিতে ৫০ থেকে ১০০ টাকা দাম বেড়েছিল। প্রতি কেজি গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছিল ৭৫০ থেকে ৮০০ টাকায়। বর্তমানে প্রতি কেজি গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে ৭০০ থেকে ৭৫০ টাকায়।
মাছের বাজারে প্রতি কেজি রুই ৩৫০ থেকে ৪২০ টাকা, কাতল ৩৮০ থেকে ৪৫০ টাকা, চাষের শিং ৫৫০ টাকা, চাষের মাগুর ৫০০ টাকা, চাষের কৈ ২০০ থেকে ২৫০ টাকা, কোরাল ৭৫০ টাকা, চাষের পাঙাশ ১৮০ থেকে ২২০ টাকা ও তেলাপিয়া ১৮০ থেকে ২২০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে। এ ছাড়া প্রতি কেজি বোয়াল ৭৫০ থেকে ৮০০ টাকা, পোয়া ৪৫০ টাকা, আইড় ৮০০ থেকে ৯০০ টাকা, টেংরা ৬৫০ থেকে ৭০০ টাকা, দেশি কৈ ১ হাজার ৩০০ টাকা থেকে ১ হাজার ৭০০ টাকা ও শিং ১ হাজার ৪০০ থেকে ১ হাজার ৫০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
কাঁচাবাজারে প্রতি কেজি করলা ৬০-৭০ টাকা, বরবটি ৩০-৪০ টাকা, ঢ্যাঁড়শ ৩০ টাকা, আলু ২০-২২ টাকা, মিষ্টি আলু ৩০ টাকা, কচুর লতি ৪০-৫০ টাকা ও পটোল ৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এ ছাড়া প্রতি কেজি পেঁপে ৫০ টাকা, গাজর ৩০ টাকা, টমেটো ২০ টাকা, শিম ২৫ টাকা, সজনে ডাটা ১২০ টাকা ও ধনেপাতা ৩০-৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। প্রতি কেজি বেগুন ৫০-৭০ টাকা ও শসা বিক্রি হচ্ছে ৩০-৪০ টাকায়। আর প্রতি হালি লেবু বিক্রি হচ্ছে ৩০-৪০ টাকায়। প্রতি পিস চালকুমড়া ৫০ টাকা ও লাউ ৫০-৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
কাঁচামরিচ কেজিপ্রতি বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৬০ টাকায়। প্রতি কেজি দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকায় ও প্রতিকেজি আদা বিক্রি হচ্ছে ১২০ টাকায়।