নিহত আল আমিন পঞ্চগড় সদর উপজেলার হারিভাষা ইউনিয়নের জিন্নাতপাড়া গ্রামের সুরুজ আলীর ছেলে।
বিজিবি ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আল আমিন ৩ দিন ধরে নিখোঁজ ছিলেন। শুক্রবার রাতে তিনিসহ ১৫ থেকে ২০ জনের একটি চোরাকারবারি দল ভারত থেকে বাংলাদেশে গরু পাচার করছিল। এ সময় বিএসএফ তাদের বাধা দিলে চোরাকারবারিদের সঙ্গে তাদের হাতাহাতি হয়। একপর্যায়ে বিএসএফ গুলি করতে বাধ্য হয়। এতে ঘটনাস্থলেই আল আমিন নিহত হন। তার মরদেহ বিএসএফ নিয়ে গেছে।
বিজিবি জানায়, আল আমিন বাংলাদেশি নাগরিক হলেও চোরাচালানের উদ্দেশে তিনি অধিকাংশ সময় ভারত সীমান্তের ভেতরে থাকেন। এছাড়া তিনি বাংলাদেশি ও ভারতীয় চোরাকারবারিদের সঙ্গে যোগসাজশে গরু পাচারে জড়িত। শনিবার ভারতের ভেতরে ভাটপাড়া নামক স্থানে গরু পাচারের চেষ্টাকালে বিএসএফের গুলিতে তিনি নিহত হন।
বিষয়টি জানার পর সকালে নীলফামারী ৫৬ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল শেখ মো. বদরুদ্দোজা সীমান্ত পিলার ৭৪৪/৭-এস এলাকায় ভারতের ৪৬ বিএসএফ ব্যাটালিয়নের অধিনায়কের সঙ্গে পতাকা বৈঠক করেন। বৈঠকে এ ঘটনার কড়া প্রতিবাদ জানিয়ে মরদেহ ফেরতের আহ্বান জানান।