গতকাল শুক্রবার (৪ এপ্রিল) বাজার বন্ধ হওয়া পর্যন্ত ডাউ জোনস ইন্ডাস্ট্রিয়াল এভারেজ ৫ দশমিক ৫ শতাংশ কমেছে। নাসডাক কম্পোজিট ৫ দশমিক ৮ শতাংশ এবং এসঅ্যান্ডপি ৫০০ সূচক প্রায় ৬ শতাংশ কমেছে।
সব মিলিয়ে তিনটি সূচকই ২০২০ সালের মার্চের পর থেকে সবচেয়ে বাজে দিন দেখল। ওই সময় কোভিড-১৯ মহামারিতে অর্থনৈতিক ধ্বংসযজ্ঞ শুরু হলে এমন ক্ষতির দিন এসেছিল মার্কিন শেয়ারবাজারে। গত বুধবার ট্রাম্পের প্রায় সব বাণিজ্য অংশীদারের ওপর পারস্পরিক শুল্ক আরোপের ঘোষণার পর বিশ্বজুড়ে শেয়ারবাজারের পতন শুরু হয়, যার প্রতিফলন ঘটল যুক্তরাষ্ট্রেও।
নিউইয়র্ক স্টক এক্সচেঞ্জের প্রতিবেদন নিয়ে আলজাজিরার সাংবাদিক ক্রিস্টেন সালুমি বলেন, মার্কিন পণ্যের ওপর চীন ৩৪ শতাংশ শুল্ক আরোপের ঘোষণা দেওয়ার পর শুক্রবার মার্কিন শেয়ারবাজারে এ পতন ঘটেছে, যা এখন পর্যন্ত সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য প্রতিফল।
ক্রিস্টেন সালুমি বলেন, ‘এগুলো বিশ্বব্যাপী বাণিজ্য যুদ্ধ ও সম্ভাব্য মন্দার আশঙ্কা জাগিয়ে তুলছে। আজ আমরা বাজারে এটিই দেখতে পাচ্ছি।’
নিজের সিদ্ধান্তে অনড় থাকবেন জানিয়ে ট্রাম্প তাঁর ট্রুথ সোশ্যাল প্ল্যাটফর্মে এক পোস্টে লেখেন, ‘মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে আসা এবং বিপুল অর্থ বিনিয়োগকারীর উদ্দেশে (বলছি), আমার নীতি কখনো পরিবর্তন হবে না।’
ওই পোস্টে ট্রাম্প একটি নতুন প্রতিবেদনের প্রশংসা করেন, যেখানে দেখানো হয়েছে মার্চে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রত্যাশার চেয়েও বেশি ২ লাখ ২৮ হাজার কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে। তবে প্রতিবেদনের সময়কালটি তাঁর নতুন শুল্ক ঘোষণার আগের।